প্রকাশিত: Wed, Feb 15, 2023 1:58 PM
আপডেট: Sun, Jan 25, 2026 11:31 PM

তুরস্কের ভূমিকম্পে মৃতের চূড়ান্ত সংখ্যা হতে পারে ভীতিকর

সাজ্জাদুল ইসলাম: ভূমিকম্পকে আনবিক বোমার সাথে তুলনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান। তিনি বলেন, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার ভবন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকাগুলো থেকে ২২ লাখ মানুষ পালিয়ে গেছে। আল-জাজিরা

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ ভূমিকম্প তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানে। মৃতের সংখ্যা ৪১,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে তুরস্কে ৩৫ হাজার ৪১৮ জন এবং সিরিয়ায় ৫ হাজার ৮০০ জন। জাতিসংঘের আশংকা তুরস্ক ও সিরিয়ার মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার বা তার বেশি হতে পারে।

ইউনিসেফ বলেছে যে, তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পের মৃতের চূড়ান্ত সংখ্যা অত্যন্ত ভীতিকর বেদনাদায়ক হতে পারে। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায় যে, এ ভূমিকম্প হচ্ছে অঞ্চলগুলোতে শত বছরের মধ্যে সবচাইতে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

ডব্লিউএইচও এর ই্উরোপীয় অঞ্চল প্রধান হান্স ক্লাগ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমরা ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করছি। আমরা এর প্রকৃত মাত্রা ও আসল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে পারিনি। জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের আনতাকিয়া শহরে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত কর্মীরা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তুপের নীচে থেকে লোকদের উদ্ধারের অবিরাম চেষ্টা করছেন। জার্মানির ডিডব্লিউ‘র সংবাদদাতা জুলিয়া হান চার লাখ জন সংখ্যার শহরটি থেকে একথা জানান। শহরটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর ৭০ শতাংশ ধ্বংস হয়েছে। 

ইস্তাম্বুলের দমকল বিভাগের একজন কর্মকর্তা হানকে বলেন,  জীবিত উদ্ধার চেষ্টা পরিত্যাগ করেননি। তুরস্কে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার হাজার উ্দ্ধারকর্মী কাজ করছে। হান বলেন, জীবিত উদ্ধারের আশা অতি ক্ষীণ হয়ে পড়ার পরও অনেককে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে রাস্তা সরু, যাতে উদ্ধার দল সেখানে পৌঁছুতে বেগ পাচ্ছে। শহরটি যেন গণকবরে পরিণত হয়েছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব