প্রকাশিত: Sat, Apr 8, 2023 4:12 AM
আপডেট: Tue, Jan 27, 2026 2:23 AM

আতঙ্কিত মানুষ গ্রাম ছেড়ে স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে দুই পাহাড়ি সংগঠনের গোলাগুলিতে নিহত ৮

বাবুল খাঁন:  রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন খামতাং পাড়ায় বৃহস্পতিবার রাতে এই সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছেন রোয়াংছড়ি থানার ওসি  আব্দুল মান্নান।

স্থানীয়রা জানায়- বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার সকালে  খামতাং পাড়া ও আশপাশের এলাকায় গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ ও কেএনএফের মধ্যে গোলাগুলি চলছিল।  স্থানীয়রা খামতাং পাড়ায় কয়েকটি লাশ পড়ে  থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।  রোয়াংছড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে। 

গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের জেলা সাধারণ সম্পাদক উবামং মারমা বলেন, আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমাদের হাতে ভারি কোনো অস্ত্রশস্ত্রও নেই।

নিহতদের মধ্যে সাত জন বম জনগোষ্ঠীর সদস্য বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বীকার করেছে বম জনগোষ্ঠীর সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ।  তারা হলেন- ভানদু বম , সাংখুম বম , সানফির থাং বম , বয়ে রেম বম , জাহিম বম , লাল লিয়ান নাং বম এবং লালঠা জার বম।

এ ঘটনার পর রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কের খানতামপাড়ার খেয়াং জনগোষ্ঠীর ৯০টি পরিবারের ১৭৮ জন নারী-পুরুষ, শিশু ভয়ে আতঙ্কে পালিয়ে রোয়াংছড়ি সদরে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয় গ্রহণকারীদের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী এবং পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে খাবার এবং পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্পাদনা: মুরাদ হাসান, সালেহ্ বিপ্লব