প্রকাশিত: Sat, Jun 24, 2023 9:20 AM
আপডেট: Sat, Mar 14, 2026 8:48 AM

উত্তর জনপদে পানিবন্দি লাখো মানুষ, তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ রাস্তাঘাট

মুরাদ হাসান: শুক্রবার তেমন একটা বৃষ্টি হয়নি উত্তরের জেলাগুলোতে, ঢলের পানিও তেমন নামেনি। এতে বন্যার শঙ্কা কিছুটা কমলেও তীব্র হয়েছে নদীভাঙ্গন।  

কুড়িগ্রাম থেকে শাহনাজ পারভীন জানান, নদ-নদী অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে  দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১২ হাজার পরিবার। বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন নানা ভোগান্তিতে পড়েছেন। 

লালমনিরহাট থেকে মামুনুর রশিদ জানান, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। ডুবে গেছে রাস্তা ঘাট। পানিতে তলিয়ে গেছে বাদাম , আমন বীজতলা ও সবজি খেত। 

তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধিতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যমতে, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির সমতল একই সময় ২৭.৮০ মিটার, বিপদসীমা ২৮.৭৫মিটার যা বিপদসীমার ৯৫ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি পয়েন্টে সন্ধ্যা ৬টায় পানি সমতল রেকর্ড করা হয় ৩০.২৯ মিটার, যা বিপদসীমার ৮০ সে.মি.  নিচে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, ভাঙ্গনপ্রবণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। 

গাইবান্ধায় থেকে রওশন হাবিব জানান, গাইবান্ধায় পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৬৫টি চরের নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকায় পানি উঠেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক মুঠোফোনে বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে কোনো নদীর পানিই বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব