প্রকাশিত: Mon, Jul 24, 2023 10:19 AM
আপডেট: Wed, Jan 28, 2026 12:55 AM

পরিবেশবান্ধব কলম ‘গ্রিন পেন’ তৈরি হচ্ছে এখন বাংলাদেশের অনেক গ্রামেই

মুসবা তিন্নি: [২] কাগজ দিয়ে বিশেষ একধরনের পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন পেন’ উদ্ভাবন করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এ কলম লেখা শেষে মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ। এটি লেখার কাজ করার পাশাপাশি সবুজ বনায়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা

[৩] বর্তমানে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে। পরিবেশের জন্য সবার কাজ করা দরকার ‘সবুজ অর্থনীতি বিনির্মাণের জন্য’ এ স্লোগান নিয়ে ‘গ্রিন ইকো’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সঞ্জয় চৌধুরী।

[৪] সঞ্জয় চৌধুরীর বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নে। এ ‘গ্রিন ইকো’ সদস্যরা একটি কলম বাজারে নিয়ে আসে। যার নাম দেয় ‘গ্রিন পেন’, যে কলমটি পরিবেশ বান্ধব। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলমটি জনসাধারণের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো যাবে। কেননা কলমটি কাগজের তৈরি। সূত্র: সময় টিভি

[৫] এতে ব্যবহার শেষে কলমটি মাটির সংস্পর্শে আসলেই কলমের কাগজের অংশটি জৈব প্রক্রিয়ায় মাটির সাথে মিশে যাবে। এছাড়া মজার বিষয়টি হলো কলমটির পেছনের অংশে নানা ধরনের বৃক্ষের বীজ সংযুক্ত করা আছে; ব্যবহার শেষে মাটিতে বা টবে গেঁথে দিলেই কলমের কাগজের অংশটি মাটির সাথে মিশে যাবে এবং বীজটি থেকে তৈরি হবে গাছের চারা।

[৬] ভারতের সংবাদ মাধ্যেম ‘এই সময়’ থেকে জানা যায় খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়রিং বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র মাহমুদুল হাসান রিফাতও এই রকম কলম তৈরি করেছেন। এবং এটির বাজার মূল্যও খুব কম। প্রতিটি কলমের দাম ২ থেকে ৩ টাকা।

[৭] পরিবেশবান্ধব কলম ‘গ্রিন পেন’ তৈরি করেছে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রত্যয় দাস তীর্থ। ইন্টারনেটের সহযোগিতা নিয়ে এলাকার কয়েকজন শিশু-কিশোরকে সাথে নিয়ে গ্রিন পেনটি তৈরি করে প্রত্যয় দাস তীর্থ।

[৮] যশোরের নাছিমা আক্তারও এমন একটি পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন পেন’ বানিয়েছেন, যে কলমের কালি শেষ হওয়ার পর মাটিতে পুঁতে দিলেই হবে গাছ। সূত্র : কালের কণ্ঠ

[৯] এর উৎপাদনে ৯৫ শতাংশ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে কলম থেকে একটি গাছের চারা উৎপাদনের সুযোগ আছে। এছাড়া এই গ্রিন পেন তৈরি প্রান্তিক জেলার মানুষদের কর্মসংস্থানের জন্যও বড় ভূমিকা পালন করেতে পারে। দেশব্যাপী যদি এটা ছড়িয়ে দেয়া যায় তাহলে পুরো দেশে ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যেমে নতুন করে বনায়ন করা সম্ভব এবং পূনরায় প্রকৃতি এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা করাও সম্ভব। সম্পাদনা: রাশিদ