প্রকাশিত: Mon, Dec 25, 2023 9:49 PM
আপডেট: Thu, Mar 12, 2026 8:17 PM

জেনেটিক জিনিওলোজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাগর- রুনীর খুনীদের কি শনাক্ত করা যাবে!

শওগাত আলী সাগর, ফেসবুক: ৪০ বছর আগে টরন্টোয় নিজ বাড়ীতে নির্মভাবে খুন হয়েছিলেন সুসান টাইস এবং ওরিন গিলমোর নামে দুই নারী। সেটা ১৯৮৩ সালের কথা। কিন্তু দীর্ঘ তদন্তেও পুলিশ খুনীদের শনাক্ত করতে পারেনি। স্বাভাবিক নিয়মে মামলাটি পুলিশের ‘কোল্ড কেইসের’ তালিকায় ঢুকে আড়ালে পড়ে যায়।

ঘটনার ২০ বছর পর ২০০১ সালে টরন্টো পুলিশ যখন নিজস্ব ডিএনএ ডাটা বেইজ তৈরির কাজ শুরু করে তখন আবার এই দুই নারী হত্যার ফাইলটি সামনে আসে। পুলিশ নিশ্চিত হয় দুই নারীর ঘাতক একজনই। কিন্তু এ পর্যন্তই। পুলিশ আর এগুতে পারেনি।

২০১৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় যুগান্তকারী এক ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩৯ বছর আগের  একেবারে ক্লুবিহীন ধর্ষণ ও হত্যামামলার আসামীকে গ্রেফতার করে তাক লাগিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ১৩টি খুন এবং ডজনখানেক ধর্ষণ মামলার আসামী গোল্ডেন স্টেট কিলারকে  গ্রেফতার করে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ। 

ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশের সাফল্যের পেছনে রয়েছে ‘জেনেটিক জিনিওলোজি’- এটা জানার পর টরন্টো পুলিশও নড়েচড়ে বসে। বেশ কয়েকটি ‘কোল্ড কেস’ নিয়ে নতুন করে তদন্তে নামে টরন্টো পুলিশ। তার একটি সুসান টাইস এবং ওরিন গিলমোর হত্যাকান্ড। সেটি ২০১৯ সাল। ‘জেনেটিক জিনিওলোজি’ প্রযুক্তিতে ২০২২ সালের নভেম্বরে খুনীকে শনাক্ত করে টরন্টো পুলিশ। তার পর পরই হত্যাকারী  ঘটনার দায়দায়িত্ব স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে। মামলাটি এখন আদালতের রায়ের অপেক্ষায় আছে। 

‘জেনেটিক জিনিওলোজি’ প্রযুক্তি নিশ্চয়ই কোনো একদিন বাংলাদেশেও যাবে। তখন কী এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাগর- রুনীর খুনীদের শণাক্ত করা যাবে!