প্রকাশিত: Tue, Apr 23, 2024 7:56 AM
আপডেট: Fri, Jun 12, 2026 10:14 AM

স্বল্পময়োদী সুবধিার জন্য আমরা ধ্বংস করছি ভবষ্যিতরে সবকছিু

বিধান রিবেরু ; ‘বজেোড় শালকি দখেলে দুঃখ, আর জোড় শালকি দখেলে আনন্দ আছে কপাল’েÑএমন প্রচলতি কথা নয়িে ছোটবলোয় খলেতাম, বশিষে করে স্কুলরে মাঠে তখন প্রচুর শালকিরে আনাগোনা দখেতাম। দোয়লেরে দখোও মলিতো। আজকাল জাতীয় পাখরি দখো তো মলেইে না, শালকিরে সুন্দর হলুদ ঠ্যাংও চোখে পড়ে না। আগে সবুজ গাছরে আড়ালে টয়িা পাখরি লজে ঝুলতে দখেতাম অহরহ। এখন নগরে গাছগাছালি কাটা পড়ছে,ে জলাশয় হয়ছেে ভরাট। 

আকাশে ইদানংি শুনি শুধু চলিরে তীক্ষè চৎিকার। আজকাল এরা জানালার র্কানশিে এসওে বস।ে আগে যমেন দখেতাম কাক বা চড়ুইক।ে মানুষরে কাছে তারা আসতো খাবার খতে।ে এখন কোথায় গছেে তারা জাননিা। ওদরে পরর্বিতে চলিরে মতো শকিারী পাখি ভয়ডর ভুলে মানুষরে কাছাকাছি আসছ।ে দুদনি পরে শকুনও লোকালয়ে ঢুকে যাব।ে আলফ্রডে হচিককরে ‘দি র্বাডস’ সনিমোর মতো দশা হলওে অবাক হবোনা। বনাঞ্চল নইে, জলাশয় নইে, খাদ্যাভাবে এই পক্ষীকূল আজ দশিাহারা। এরই ভতের মৌমাছরিা চায়রে দোকানরে ডব্বিায় রাখা চনিি থকেে মধু সংগ্রহ করছ।ে এর কারণও ওই একটাই, ফুল-ফলরে গাছ কমে গছে।ে ছাদ বাগান কর,ে বচ্ছিন্নি দুয়কেটা গাছ লাগয়িে এই অভাব বা সঙ্কটরে সুরাহা করা যাবনো। প্রাকৃতকি বনাঞ্চল, জলাশয় রক্ষা ও র্বধনরে কোনো বকিল্প নইে। ওগুলোই আমাদরে অক্সজিনে ও শীতল বাতাসরে উৎস। আমরা এসব জান,ি তারপরও প্রকৃতকিে আমরা পুঁজরি ভোগে যতেে দচ্ছি,ি নজিদেরে সুযোগ-সুবধিার কারণ।ে স্বল্পময়োদী সুবধিার জন্য আমরা ধ্বংস করছি ভবষ্যিতরে সবকছিু। 

এই লখোটি যখন লখিবো বলে ভাবছ,ি তখন খয়োল করলাম বশ্বি ধরত্রিী দবিস। এটা দখেে মনে হলো গোটা মানবজাতি কী ভণ্ডামটিাই না করছ।ে একদকিে প্রকৃতকিে ধ্বংস করার সকল আয়োজন টকিয়িে রখে,ে অন্যদকিে লোক দখোনো ধরত্রিী দবিস পালন করাটা সত্যইি হাস্যকর। বাংলাদশেরে জন্য তো এটা শুধু হাস্যকর নয়, নর্লিজ্জতার প্রকট প্রর্দশনও বট।ে লখেক, সাংবাদকি ও চলচ্চত্রি সমালোচক